WBCHSE HS Biology Suggestion 2023 || WBCHSE উচ্চমাধ্যমিক জীব বিদ্যা সাজেশন ২০২৩


HS Biology Suggestion 2023।। উচ্চ মাধ্যমিক জীববিদ্যা সাজেশন ২০২৩

HS 2023 Biology suggestion Download in Bengali Version. WBCHSE Higher Secondary Biology Suggestion 2023 pdf version. Download Biology Suggestion for HS 2023. Important questions of HS 2023 Biology Exam. Check out and Dwnload উচ্চমাধ্যমিক বায়োলজি সাজেশন 2023  as per new syllabus. Download HS 2023 Biology Suggestion for free of cost. WBCHSE HS Biology Suggestion with 95% common in HS 2023 Exam. Get HS 2023 Biology question paper pdf Bengali version.

HS Biology Suggestion 2023 Details:

Suggestion ::        H. S. Biology Suggestion
Name          ::                         2023                 

Prepared by ::          Expart   Teachers        

Published by ::        SOUMEN BERA            

Publish from ::     আদর্শ কোচিং সেন্টার       

Suggestion                        95%
Expectation  ::                                                  






WBCHSE Board held HS exams all over West Bengal. Biology is one of the important subjects in the Science Stream. Biology subject mainly Contains details about Life Sources. In the Biology exam, Students have to write much More than other Subjects. Download HS biology suggestion 2023 pdf as per new reduced syllabus introduced by WBCHSE board for West Bengal class 12th students.

We are sharing HS Biology Suggestion is qualitative questions gathered in a page named Biology Suggestion for HS 2023. Exam Suggestions are most desirable and wanted components for students for their next Board Exam.

We picked up important questions from different sources and shared it in our website. Download the Important question enriched Biology Suggestion for 2023.


WBCHSE Biology 2023 New Reduced Syllabus:

Students should acquire knowledge of HS 2023 Biology subject Syllabus before taking HS 2023 Biology Suggestion. Higher Secondary Biology Subject contains 10 chapters.
Chapters are
1. Reproduction in Organidms
2. Genetics and Evolution
3. Biology in Human Welfare
4.  Biotechnology Its Application
5. Ecology and Environment 


    H. S. BIOLOGY SUGGGESTION 2023
          QUESTIONS AND ANSWERS
             BENGALI VERSION
                             
                       প্রতিটি প্রশ্নের মান ৩

১. মৌমাছির লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তর :- মৌমাছির লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি :--
                    
                              ¡)  মৌমাছি, বোলতা, পিঁপড়ে ইত্যাদি প্রাণীর কোন সেক্স ক্রোমোজোম থাকে না এবং এদের কোষের মধ্যে উপস্থিত ক্রোমোজোম সেটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে লিঙ্গ নির্ধারণ হয়।
                                ¡¡)    পুরুষ মৌমাছি ড্রোনের দেহের সব কোষে একসেট করে ক্রোমোজোম থাকে এবং এরা হ্যাপ্লয়েড(n) ।  স্ত্রী মৌমাছির দেহের প্রতিটি  কোশে দুটি সেট ক্রোমোজোম থাকে এবং  ডিপ্লয়েড (2n)।

                               ¡¡¡)  মৌমাছির হ্যাপ্লয়েড (n) পুরুষ অনিষিক্ত ডিম্বানুর স্বাভাবিক অপুংজনি পদ্ধতির মাধ্যমে পরিস্ফুরন ঘটে।  অন্যদিকে নিষিক্ত ডিম্বানু থেকে পরিস্ফুরনের এর মাধ্যমে স্ত্রী মৌমাছি হিসেবে রানী ও বন্ধ্যা শ্রমিক মৌমাছি সৃষ্টি হয়।
                               ¡v)   রানী মৌমাছি দুই প্রকার ডিম্বাণু উৎপন্ন করে, - নিষিক্ত ও অনিষিক্ত ডিম্বানু। অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে পুরুষ বা ড্রোন মৌমাছি অপুংজনি পদ্ধতির সাহায্যে সৃষ্টি হয়। কিন্তু নিষিক্ত ডিম্বানু থেকে দুই জাতের ভিন্ন মৌমাছি রানী ও শ্রমিক সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে নিষিক্ত ডিম্বানু থেকে সৃষ্ট লার্ভা খাদ্যদানের ভিন্নতা পরিস্ফুরন নিয়ন্ত্রণ করে। যখন ডিপ্লয়েড লার্ভাকে সম্পূর্ণ লার্ভার জীবন রয়েল জেলী খাওয়ানো হয় তখন সেই লার্ভা থেকে রানী মৌমাছি সৃষ্টি হয়। কিন্তু ডিপ্লয়েড লার্ভাকে প্রথম দুদিন রয়েল জেলী দিয়ে বাকি লার্ভার জীবন মৌরুটি ইত্যাদি খাদ্য প্রদান করা হয় তখন সেই লার্ভা থেকে শ্রমিক মৌমাছি গঠিত হয় ।
২. ইনসুলিন উৎপাদন , ভ্যাকসিন উৎপাদন ও জিন থেরাপির ক্ষেত্রে বায়োটেকনোলজির ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর :-






৩.  হার্ডি উইন বার্গের মূলনীতিটি বিবৃত করো। এর গুরুত্ব কি?

উত্তর :--  হার্ডি উইন বার্গের নীতি   :-   ""একটি বৃহত্তম স্বাধীনভাবে প্রজননক্ষম পপুলেশনে যখন মিউটেশন হয়না, জনগোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ না বহিষ্করণ ঘটে না এবং যখন প্রাকৃতিক নির্বাচন ও জেনেটিক ড্রিফট না দেখা যায় তখন সেই পপুলেশনে জিন ফ্রিকোয়েন্সি ও জিনোটাইপ এর ফ্রিকোয়েন্সি বংশপরম্পরায় অপরিবর্তিত থাকে। ""

         গুরুত্ব :--       ¡) হার্ডি উইন বার্গ নীতি এবং সমীকরণ  p²+2pq + q² =1 প্রয়োগ করে কোন পপুলেশন জিনগত সাম্যবস্থায় আছে কিনা তা নির্ধারণ করা হয়।
                               ¡¡) হার্ডি উইন বার্গ  নীতি প্রয়োগ করে কোনো পপুলেশনে জীন ফ্রিকোয়েন্সি  ও জিনোটাইপ ফ্রিকোয়েন্সি নির্ণয় করা যায়।
                               ¡¡¡) বিবর্তনের বিভিন্ন বল যেমন মিউটেশন প্রাকৃতিক নির্বাচন ইত্যাদি প্রভাবের জিন ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তনের ধারা এর সাহায্যে নির্ধারণ করা যায়।

৪. ভেক্টর এর সাহায্যে নতুন সংযুক্ত DNA গঠন পদ্ধতি আলোচনা করো।

উত্তর :-


৫.  হ্রদে শৈবাল পপুলেশনের বৃদ্ধির একটি লেখ চিত্রের সাহায্যে ব্যাখ্যা করো।

উত্তর :-




৬. রসভিত্তিক ও কোষভিত্তিক অনাক্রম্যতা
মধ্যে পার্থক্য লেখ।

উত্তর :--




৭.  বর্জ্য আবর্জনা প্রক্রিয়াকরণে  Sewage Treatment এর ভূমিকা লেখ।

উত্তর :-


৮.  MTP কী?  পুরুষদের এবং স্ত্রীর কোন কোন সার্জিক্যাল পদ্ধতির সাহায্যে চিরস্থায়ী গর্ভনিরোধ করা সম্ভবপর?

উত্তর :--


৯.  এসকারিয়াসিস রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর নাম লেখ । এই রোগের সংক্রমণ পদ্ধতি আলোচনা করো।

উত্তর :--


১০.  জৈব নিরাপত্তা কি? আধুনিক জীবনে যৌবনের উপর তার গুরুত্ব লেখ।

উত্তর :- 


১১. মুরগির একটি লেইং ব্রিডের নাম লেখ, পোল্ট্রি পাখির একটি ভাইরাস ঘটিত এবং একটি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগের নাম লেখ।

উত্তর:- 



১২.  একটি আদর্শ অ্যান্টিবডির চিহ্নিত চিত্র অঙ্কন করো।

উত্তর :--




১৩.  ল্যাকওপেরন  এর গঠন সংক্রান্ত জিনগুলোর ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর :--






১৪.   বয়স পিরামিড কি?  স্থিতিশীল ও ক্রমহ্রাসমান পপুলেশনের বয়স পিরামিডের গঠন ব্যাখ্যা করো।

উত্তর :--





১৫.  আমনিওসিন্তেসিস কি? এর প্রয়োজনীয়তা কি?

উত্তর :--




১৬.  ডাউন সিনড্রোমের ক্যারিওটাইপ দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ।

উত্তর :--






১৭.  NPP ও GPP কাকে বলে এদের মধ্যে সম্পর্ক কি?

উত্তর :--





১৮.   অ্যামিবার দ্বিবিভাজন প্রক্রিয়া বর্ণনা করো।

উত্তর :- 



১৯.  গ্রাফটিং কাকে বলে? এটি কিভাবে করা হয়?

উত্তর :--




২০. স্বপরাগযোগ কাকে বলে? স্বপরাগী ফুলের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো |

উত্তর :--




২১.    নিষেকের পর কিভাবে সস্য  পঠিত হয় ব্যাখ্যা করো।

উত্তর:-    





২২.    প্রসব প্রক্রিয়া টি সংক্ষেপে বর্ণনা করো।

উত্তর :- 






২৩.  দুগ্ধ ক্ষরণের প্রকৃতি সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর :-  





২৪.   গর্ভনিরোধের সার্জিক্যাল পদ্ধতি গুলি লেখ।

উত্তর :-  







২৫.   সম্পূর্ণ এবং অসম্পূর্ণ লিংকেজ কাকে বলে? লিংকেজ থিওরি বলতে কী বোঝো?

উত্তর :- 






২৬.  থ্যালাসেমিয়ার প্রকারভেদ ও কারণ গুলি উল্লেখ করো।

উত্তর :- 






২৭. ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতি প্রারম্ভিক পর্যায়ে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর :-  







২৮.   DNA জেনেটিক বস্তু কিভাবে প্রমান করবে?

উত্তর :--






২৯.   জেনেটিক ড্রিফট কি? বিবর্তনে এর গুরুত্ব লেখ।

উত্তর :--- 







৩০.   মিউটেশন তত্ত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি লিপিবদ্ধ করে এবং গুরুত্ব লেখ।

উত্তর :-- মিউটেশন তত্ত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি হল :-
            ১. জেনেটিক বস্তু ডিএনএর উপাদানগত পরিবর্তন ঘটে।
            ২. মিউটেশন এর ফলে কোনো জীনের কাজের পরিবর্তন হয়।
            ৩. মিউটেশন প্রকট বা প্রচ্ছন্ন হতে পারে।
             ৪. এর ফলে কোনো জীনের নতুন অ্যালিল সৃষ্টি হয়।
             ৫. এর ফলে বৈশিষ্ট্য এর প্রকরণ ঘটে জা বিবর্তনের কাঁচামাল হিসেবে পরিগণিত হয়।


মিউটেশনের গুরুত্ব :- 
১. মিউটেশনের ফলে জীনের নতুন অ্যালিল সৃষ্টি হয়। প্রতিটি অ্যালিল নির্দিষ্ট ফিনোটাইপের সাহায্যে তার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।এইভাবে একটি বৈশিষ্ট্যর বিভিন্ন রূপ বা প্রকারভেদ বা প্রকরণ সৃষ্টি হয়, যেমন -- মানুষের চোখের রং বৈশিষ্ট্যর বিভিন্ন প্রকরণ হল কালো বাদামি ও নীল রঙের চোখ । সুতরাং কোনো বৈশিষ্ট্য এর প্রকরণ সৃষ্টিতে মিউটেশন একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে।
২. প্রকরণের সাহায্যেই জীব বিভিন্ন পরিবেশ পরিস্থিতিতে অভিযোজিত হয় এবং জীবের বিবর্তন ঘটে।


৩১.  প্রাকৃতিক নির্বাচন এর প্রকারভেদ গুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর :-- প্রাকৃতিক নির্বাচনের প্রকারভেদ :- তিনটি ভিন্ন উপায়ে প্রাকৃতিক নির্বাচনের ফলে নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ফ্রিকুয়েন্সির বিস্তার বা অবস্থান পরিবর্তিত হয়।  এই তিনটি ধারা হলো --
 ১. দিকনির্দেশক নির্বাচন
২.  বিচ্ছিন্ন কারক নির্বাচন 
৩. স্থায়ীকরণ নির্বাচন

 দিকনির্দেশক নির্বাচন :- বৈশিষ্ট্যের বিস্তারের যেকোনো একদিকে বৈশিষ্ট্য নির্বাচিত হয় এবং বৈশিষ্ট্যের ফ্রিকুয়েন্সির স্থান চ্যুতি ঘটে। যখন পপুলেশণের পরিবেশ পরিবর্তিত হয় অথবা পপুলেশনের একটি অংশের পরিযান ঘটে তখন এই প্রকার নির্বাচন দেখা যায়।

উদাহরণ :- একটি উদ্ভিদ প্রজাতির বিভিন্ন প্রকার ফুলের রং এর মধ্যে উজ্জ্বল ফুলের রং নির্বাচিত হয় কারণ উজ্জ্বল ফুল পরাগযোগী পতজ্ঞকে আকৃষ্ট করে এবং এর ফলে এই উদ্ভিদগুলি বেঁচে থাকার সুবিধা পায়।

বিচ্ছিন্ন কারক নির্বাচন :- ফিনোটাইপের বিস্তৃতির দুটি প্রান্তের বৈশিষ্ট্য যখন সুবিধা পায় তখন এই প্রকার নির্বাচন দেখা যায়। এই অবস্থায় মধ্যবর্তী ফিনোটাইপগুলি কোনো সুবিধা পায় না।

উদাহরণ :- ক্যামেরুনের একপ্রকার ফিঞ্চ পাখির ছোটো ও বড়ো ঠোঁট থাকে।


স্থায়ীকরণ নির্বাচন :- ফিনোটাইপের দুটি প্রান্তীয় চরম বৈশিষ্ট্যগুলি সুবিধা পায় না শুধুমাত্র এই দুইয়ের মধ্যবর্তী ফিনোটাইপগুলি এই নির্বাচনে সুবিধা পায়। এর ফলে প্রকরণের বিস্তৃতি কমে যায় এবং মধ্যবর্তী বা কেন্দ্রীভূত বৈশিষ্ট্য এর ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়।

উদাহরণ :- মানুষের ক্ষেত্রে জন্মের সময় শিশুর দেহের ওজন খুব বেশি বা খুব কম এর মাঝামাঝি দেখা যায়।

৩২.   জিন প্রবাহের গুরুত্ব আলোচনা করো।

উত্তর :--জীন প্রবাহ :- পপুলেশনের জীবের পরিযান ও পরে জনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চীন পুলে নতুন জীনের অন্ত:প্রবাহের  ফলে গ্রাহক পপুলেশন  বহিরাগত জীনের এই অন্তর্ভুক্তিকে জীন প্রবাহ বলে।

জীন প্রবাহের গুরুত্ব :-
           a) জিণ প্রবাহ ঘটার ফল :-
                                  . পপুলেশন এই প্রক্রিয়া নতুন অ্যালিল যুক্ত করে। এর ফলে বিভিন্ন পপুলেশনের নতুন অ্যালিল  ছড়িয়ে পড়ে। সুতরাং জীন প্রবাহের ফলে জিনগত প্রবাহ দেখা যায়।
                                   ২. পপুলেশন থেকে কিছু সদস্য বেরিয়ে গিয়ে অপর একটি পপুলেশনে অন্তর্ভুক্ত হয় এবং দ্বিতীয় পপুলেশন এই জীন প্রবাহের ফলে অ্যালিল ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তন ঘটে। এভাবে বিভিন্ন  পপুলেশনে  জিনের আদান প্রদানের ফলে পপুলেশনগুলিতে জেনেটিক সমসত্ব  বজায়  থাকে। সুতরাং পরিযান প্রক্রিয়া পপুলেশনগুলির মধ্যে জিনের পার্থক্য সৃষ্টিতে বাধা দেয়।
      b) বিবর্তনের জিন প্রবাহের ভূমিকা :- একটি পপুলেশন থেকে অপর একটি জীনের স্থানান্তরের ফলে জীন প্রবাহ ঘটে। এই জীনপ্রবাহ পরিযান এর ফলে দেখা যায়। পপুলেশনের জীবের সংখ্যা হ্রাস বা বৃদ্ধির ফলে জিনপুল ফ্রিকোয়েন্সির পরিবর্তন হয়। অন্য কোন বিবর্তনগত বল কার্যকরী না হলেও জীনপ্রবাহের মাধ্যমে জিন ফ্রিকোয়েন্সির এই পরিবর্তন বিবর্তনের সাহায্য করে।
                         
৩৩.   ড্রাগ কত রকমের হয়?  মাদক নির্ভরতার লক্ষণ উল্লেখ করো।

উত্তর :-




৩৪.  হ্যালোফাইট উদ্ভিদ এর অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো।

উত্তর :--হ্যালোফাইট উদ্ভিদ এর অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য গুলি :-

সাধারণত লবণাক্ত মাটিতে ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদ জন্মায়। এরা চিরহরিৎ শ্রেণির উদ্ভিদ। এদের অভিযােজনগত বৈশিষ্ট্য হল一


১. লবণাক্ত মাটি থেকে জল শােষণ করা কঠিন। কিন্তু এসব উদ্ভিদের কোশপ্রাচীর পুরু ও শক্ত থাকায় আস্রবণ চাপ (Osmotic Pressure) বেশিমাত্রায় সহ্য করতে পারে এবং তাই জলশােষণ ক্ষমতাও বেশি।

২. পত্ররন্ধের সংখ্যা কম হয় এবং শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মাটিতে জন্মায় বলে জলের অভাবকে মানিয়ে নেওয়ার জন্য বাস মাচনের হার কমিয়ে দেয়।

৩. উদ্ভিদের পাতাগুলি তৈলাক্ত ও মসৃণ। পাতায় প্যালিসেড কলার গঠন সুস্পষ্ট। পাতার জলধারণ ক্ষমতা অধিক।

৪. মাটির মধ্যে বায়ু প্রায় থাকে না বলে শ্বসনের সহায়ক। বহু সংখ্যক শ্বাসমূল মাটির ওপর সােজাভাবে অবস্থান করে।

৫. জোয়ারভাটার প্রভাবে স্থানচ্যুতি রােধ করার জন্য ও কাদামাটিতে গাছগুলি যাতে সােজা হয়ে অবস্থান করতে পারে সেজন্য কাণ্ড থেকে স্তম্ভমূল ও ঠেসমূল উৎপন্ন হয়।

৬. লবণাক্ত মৃত্তিকায় অঙ্কুরােদগম প্রায় হয় না। উদ্ভিদ ফলের মধ্যেই অকুরােদ্গম ঘটিয়ে সেটিকে কর্দমাক্ত মৃত্তিকায় নিক্ষেপ করে। এই প্রক্রিয়া জরায়ুজ অঙ্কুরােদগম নামে পরিচিত। বীজকে কাদামাটিতে ডুবে যাওয়া বা জলের স্রোতে ভেসে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে উদ্ভিদ জরায়ুজ অঙ্কুরােদ্গম ঘটায়।

৭. গাছ খুব দ্রুত বড়াে হয়ে অভিযােজন ঘটায়। এসব গাছ দিনে কয়েক সেমি বৃদ্ধি পায়


৩৫. আলফা, বিটা ও গামা বৈচিত্রের মধ্যে পার্থক্য ।

উত্তর :--  আলফা বৈচিত্র্য :-
. একটা নির্দিষ্ট ক্ষুদ্র বাসস্থানে উপস্থিত প্রজাতি বৈচিত্র্য।
  ২.  জীব বৈচিত্রের সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্রতম একক।         ৩. একই পরিবেশে থেকে একই সম্পদের উপর নির্ভরশীল জীব গোষ্ঠীকে বোঝায়।
  ৪. বেশি আলফা বৈচিত্রের অর্থ অধিক প্রজাতি প্রাচুর্য   ।           

               বিটা বৈচিত্র্য :- 
. দুটি ভিন্ন বাসস্থানে উপস্থিত প্রজাতির বৈচিত্র্য।
২. দুটি আলফা বৈচিত্রের মধ্যে উপস্থিতি বৈচিত্র্য।
৩. বাসস্থান গত বৈচিত্রের জন্য জীববৈচিত্র্যকে বুঝায়।
৪. বেশি বিটা বৈচিত্রের অর্থ বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত প্রজাতির সাদৃশ্য কম হওয়া।
                  গামা বৈচিত্র্য :-
  ১. বৃহদাকার ভৌগলিক অঞ্চলে উপস্থিত প্রজাতির  বৈচিত্র্য।
২. একটি বৃহদাকার অঞ্চলে আলফা এবং বিটা বৈচিত্রের সমন্বয়ের রূপ।
৩. বিভিন্ন অঞ্চলে উপস্থিত বিভিন্ন প্রজাতির সম্পর্কে বুঝায়।
৪. বেশি গামা বৈচিত্রের অর্থ প্রজাতির পৃথকীকরণ এবং  ভৌগলিক অংশীদারত্ব না থাকা।


৩৬.  কঠিন বর্জ্যের নিয়ন্ত্রণ কিভাবে করা হয়?
উত্তর :- 
কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন শর্ত রয়েছে, এই ক্ষেত্রে শহুরে কঠিন বর্জ্য, কঠিন বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করতে এবং এর সম্ভাব্য প্রভাব কমাতে সক্ষম হওয়ার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এই ক্ষেত্রে, এটি কঠিন বর্জ্য চিকিত্সার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে:

প্রথম পর্যায়ে
এটি চিকিত্সার আগে সংগ্রহের একটি পর্যায়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ যে কঠিন পদার্থগুলিকে সাপেক্ষে করা হবে, এই মুহুর্তে ধাপগুলি যেমন সংগ্রহ নিজেই, ব্যবহৃত পরিবহন এবং যেখানে বর্জ্য নির্মূল করা হয় এবং ফেলে দেওয়া হয় সেগুলি হাইলাইট করা হয়।

দ্বিতীয় পর্যায়
এটি এমন একটি পর্যায় হিসাবে বিবেচিত হয় যেখানে সমস্ত বর্জ্য বা কঠিন পদার্থ ফেলে দেওয়া যায় এবং পুনর্ব্যবহার করা যায়৷ এই পর্যায়ে, সেই সমস্ত পণ্যগুলিকে বিবেচনা করা শুরু হয় যেগুলিকে ফেলে দেওয়া যায় এবং পুনর্ব্যবহার করা যায়, এবং যেখানে প্রতিটিকে তার নিজ নিজ গন্তব্যে বরাদ্দ করা হবে। হাইলাইট করার জন্য নিম্নলিখিত:

১. ল্যান্ডফিল নিষ্পত্তি:-
এটি স্যানিটারি ল্যান্ডফিল বরাদ্দ করতে সক্ষম হওয়ার দায়িত্বে রয়েছে, এটি মাটিতে জমা করা সমস্ত কঠিন বর্জ্য নির্মূল করতে সক্ষম হওয়ার দায়িত্বে থাকা একটি পদ্ধতির সাথে মিলে যায়, এইভাবে উপাদানটি সাধারণত ছড়িয়ে পড়ে এবং সংকুচিত হয়, এটি হল সব বিপজ্জনক বর্জ্য জন্য একটি অত্যন্ত প্রস্তাবিত পদ্ধতি.

২. জ্বলন:-
কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এমন একটি সিস্টেমের সাথে মিলে যায় যা আবর্জনা সম্পর্কিত সমস্ত কিছু চিকিত্সা করতে সক্ষম হওয়ার জন্য দায়ী এবং এইভাবে উচ্চ তাপমাত্রায় বর্জ্য হিসাবে বিবেচিত সমস্ত কিছুকে পুড়িয়ে ফেলার ব্যবস্থা করে, এইভাবে এটি আনুমানিক পরিমাণ পর্যন্ত কমাতে পারে। একটি 90% এবং এমনকি 75% এর সাথে তার ওজনকে প্রভাবিত করে। এর প্রধান অসুবিধাগুলির মধ্যে একটি হল এই পদ্ধতিটি ছাই, অবশিষ্টাংশ এবং গ্যাস তৈরি করতে পারে যা মানুষের জন্য বিষাক্ত।

তৃতীয় পর্যায়:-
বিচ্ছেদ এবং ব্যবহার
পৃথকীকরণ এবং ব্যবহারের শ্রেণীবিভাগ ব্যবস্থা সমস্ত কঠিন বর্জ্যকে শ্রেণীবদ্ধ করার জন্য দায়ী যাতে চিকিত্সা করার পরে সেগুলি চিকিত্সা করা যায় এবং পুনরুদ্ধার করা যায়। এই সমস্ত প্রক্রিয়া এবং কৌশলগুলির প্রয়োগের মাধ্যমে যা সমস্ত উপকরণ ফেরত দিতে সক্ষম হওয়ার জন্য দায়ী এবং এইভাবে সেগুলি তাদের আসল কাজের জন্য বা অনুরূপ কিছুর উপর নির্ভর করে সেগুলি পুনরায় ব্যবহার করতে পারে।



৩৭.   অরণ্য ধ্বংসের কারণ গুলি আলোচনা করো।

উত্তর :--অরণ্য ধ্বংস বা বিনাশের কারণ গুলিকে তিনটি শ্রেনীতে ভাগ করে নিচে আলোচনা করা হল –

প্রাকৃতিক কারণ:- 

১. দাবানল – প্রাকৃতিক কারনেই হোক বা মানুষের দাঁড়ায় হোক বনভূমিতে আগুন লাগলে বনভূমি ধ্বংস হয়। সাধারণত বজ্রপাত এবং গাছে গাছে ঘর্ষনের ফলে দাবানলের সৃষ্টি হয়। ফলে বিস্তৃর্ন অঞ্চলের বনভূমি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।
যেমন – অস্ত্রেলিয়ায় দাবানলে প্রচুর বনভূমি প্রতি বছর দাবানলের কারণে নষ্ট হয়।

২. ভূমিকম্প - প্রবল তীব্রতার ভূমিকম্পের ফলে অনেক সময় বিশাল আকারের ভূমিভাগের অবনমন ঘটলে তার উপরের সব গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে অরণ্য ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। 

৩. অগ্ন্যুৎপাত – কোনো আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত ঘটলে যে উত্তপ্ত লাভা স্রোত নির্গত হয়, তা যে অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেখানকার উদ্ভিদকে দগ্ধ করে দেয়।

৪. অ্যাসিড বৃষ্টি – কয়লা ও খনিজ তেলের দহনের ফলে এবং তাপবিদ্যুৎ ও ধাতু নিষ্কাশন কেন্দ্র থেকে নির্গত নাইট্রিক ও সালফিউরিক অ্যাসিড বৃষ্টির জলের সাথে মিশে অ্যাসিড বৃষ্টি রূপে পৃথিবীপৃষ্টে পতিত হ্য,যার ফলে অরন্যের বহু উদ্ভিদ বিনষ্ট হয়।

৫. ধস – পার্বত্য অঞ্চলে প্রায়শয় ভূমি ধস দেখা যায়, যার ফলে অরণ্য বিনষ্ট হয়।

অর্থনৈতিক কারণ :-

বহুমুখী নদী পরিকল্পনা – বহুমুখী নদী পরিকল্পনা বনভূমি ধ্বংসের আরেকটি অন্যতম কারণ। প্রধানত কৃষিক্ষেত্রে জলসেচ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নদী তে বাঁধ দিয়ে বাঁধের পশ্চাতে জল ধরে রাখা হয়, এর ফলে বাঁধের পশ্চাতে বিস্তৃত অঞ্চল জলমগ্ন হয়। ফলে ওই অঞ্চলের বনভূমি ধ্বংস প্রাপ্ত হয়।

স্থানান্তর কৃষি বা ঝুম চাষ – দক্ষিন ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ায় পার্বত্য অঞ্চলে ভ্রাম্যমান উপজাতিদের জঙ্গল পুড়িয়ে আদিম প্রথায় চাষ আবাদ করার ফলে বনভূমির দ্রুত বিলাপ ঘটছে। এদিক থেকে  ওড়িশা অগ্রনি ভূমিকা গ্রহন করে।

সামাজিক কারণ :-

১. বসতি স্থাপন - প্রতিবছর সারা বিশ্বব্যাপী প্রচুর পরিমানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। এই বিপুল পরিমান জনসংখ্যার বসত বাড়ি নির্মান ও তাদের খাদ্যের প্রয়োজন মেটানোর জন্য বনভূমি কেটে বসত বাড়ি নির্মান ও কৃষিজমি তৈরি করা হচ্ছে। যা বর্তমানে বনভূমি ধ্বংসের অন্যতম প্রধান কারণ। 

২. বেআইনি ভাবে বৃক্ষচ্ছেদন - বিশ্বের অনেক দেশে কাঠের চোরাচালানের ব্যবসা আছে। এই ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সরকারী বিধিনিষেদ না মেনে বেআইনি ভাবে গাছ কেটে চলেছে। এই ভাবে গাছ কাঁটার ফলে ব্রাজিলের আলাজন অরন্যের পরিমান অনেকটাই কমে গেছে। 

প্রভৃতি প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক কারণে প্রচুর পরিমান বনভূমি প্রতিবছর বিলুপ্ত হচ্ছে।




৩৮.  সাইলেন্ট ভ্যালি আন্দোলন সংক্ষেপে আলোচনা করো।

উত্তর :--







৩৯.  রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ গুলি বর্ণনা করো।

উত্তর :-- 

রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তির ধাপসমূহ

১। DNA নির্বাচন :- রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরীর প্রথম ধাপ হলো DNA অণু নির্বাচন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জীব কোষ থেকে কোষ মধ্যস্থ প্রোটিন, শর্করা লিপিড ও অন্যান্য অংশ থেকে ডিএনএ অণু কে আলাদা করা হয়। DNA অনু আলাদা করতে সাধারণত সিজিয়াম ক্লোরাইড বা সুক্রোজ দ্রবণ ব্যবহার করা হয় পরে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিশুদ্ধ DNA অণু পৃথক করা হয়   

২। DNA এর বাহক নির্বাচন:- প্রত্যাশিত ডিএনএ অণুকে স্থাপন করার জন্য একটি বাহকের প্রয়োজন। এক্ষেত্রে E. Coli বা Agrobacterium tumefaciens ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিক ব্যবহার করা যেতে পারে প্রত্যাশিত ডিএনএ অণু প্লাজমিড ডিএনএ তে সংযোজন করা হয়। কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিওফাজ ভাইরাস ব্যবহৃত হয়।

৩। DNA খণ্ড কর্তন :- এক্ষেত্রে প্রথম প্রত্যাশিত ডিএনএ অণুকে কেটে আলাদা করা হয়।  প্রত্যাশিত ডিএনএ অণুকে কাটতে বিশেষ এনজাইম ( রেস্ট্রিকশন এনজাইম ) ব্যবহার করা হয়। রেস্ট্রিকশন এনজাইম ডিএনএ অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজনি অংশকে অসমভাবে কেটে দেয়। এরূপ কাটার ফলে ডিএনএ অনুর ত্রুটি স্ট্যান্ড এর একটি অপরটির থেকে লম্বা থাকে, ফলে প্রত্যাশিত ডিএনএ  খণ্ডটি বাহক ডিএনএ অনুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। খন্ডিত ডিএনএ অনুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয় তাই একে আঁঠালো প্রান্ত বলে।


৪। খণ্ডনকৃত DNA প্রতিস্থাপন :- এক্ষেত্রে প্রথমে বাহক প্লাজমীডের DNA অনুকে রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা ছেদন করা হয়। অতঃপর প্লাসমিড DNA খণ্ডকে প্রতিস্থাপন করা হয়। প্লাসমিড DNA এর ফাঁকা অংশে প্রত্যাশিত DNA অনু সংযুক্ত করতে DNA লাইপেজ এনজাইম সহায়তা করে। প্লাসমিড DNA এর সাথে প্রত্যাশিত DNA অনু সংযুক্ত হবার পর যে DNA তৈরি হয় তাকে রিকম্বিনেন্ট DNA বলে।

৫। পোষকদেহে রিকম্বিনেন্ট DNA স্থানান্তর

৬। রিকম্বিনেন্ট DNA-এর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং মূল্যায়ন।


 ৪০.  ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর গুরুত্ব লেখ।


উত্তর :--
DNA ফিঙ্গার প্রিন্ট :-  যে পদ্ধতিতে এক ব্যক্তির DNA-এর সাথে অপর ব্যক্তির DNA-র সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয় করা হয়। DNA ফিঙ্গার প্রিন্ট পদ্ধতিতে এক ব্যক্তির কোষ থেকে প্রাপ্ত DNA-এর সাথে অপর ব্যক্তির কোষের DNA-এর তুলনা করা হয়। যদি দুই ব্যক্তির DNA-এর প্যাটার্ন মিলে যায় তখন নির্দিষ্ট সনাক্তকরণ রেকর্ড হয়। এ পদ্ধতিতে সন্তানের পিতৃত্ব, মাতৃত্ব নির্ণয় করা যায়, অপরাধী সনাক্ত করা যায়।
DNA ফিঙ্গার পিন্টিং এর প্রয়োগ
ব্যক্তি কিংবা অপরাধী সনাক্তকরণে DNA ফিঙ্গার পিন্টিং একটি কার্যকরী পদ্ধতি। ১৯৮৫ সালে প্রথম এর প্রয়োগ শুরু হয়। বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়। নিচে DNA প্রযুক্তির কয়েকটি ব্যবহার উল্লেখ করা হলো:
১. পিতৃত্ব নিশ্চিত করতে এটি খুবই কার্যকরী একটি পদ্ধতি।
২. হাসপাতালে নবজাতক বদল হয়ে গেলে প্রকৃত মা এবং তার সন্তানকে সনাক্ত করতে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
৩. ধর্ষণ মামলার ক্ষেত্রে ধর্ষণকারীকে সনাক্ত করা যায় এ পদ্ধতিতে।
৪. অপরাধী সনাক্ত করা যায়।
৫. বহু বছর আগে হারিয়ে যাওয়া কারো DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং পরীক্ষার মাধ্যমে তার পরিবারের লোকজন তাকে সনাক্ত করতে পারে।
৬. মরদেহ সনাক্ত করতে এ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।


৪১.  টার্নার সিনড্রোম এর কারণ এবং বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ।

উত্তর :- টার্নার সিনড্রোম:-   টার্নার সিন্ড্রোম হল একটা ক্রোমোজোমের রোগ, যেটা বিশেষত মহিলাদের আক্রান্ত করে। মানুষের প্রতিটা কোষে 23 জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম থাকে, যেগুলো লিঙ্গ নির্ণয় করে থাকে। মহিলাদের ক্ষেত্রে, এই ক্রোমোজোমের জোড়াকে XX বলে, এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে, এই জোড়াকে XY বলে। মহিলাদের ক্ষেত্রে কোনো একটা X ক্রোমোজোমে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে টার্নার সিন্ড্রোমের সৃষ্টি হয়।

এর প্রধান কারণগুলো :-  যতদূর আগে বলা হয়েছে, মহিলাদের একজোড়া ক্রোমোজোম আছে যাকে সেক্স ক্রোমোজোম - XX বলা হয়। যখন এর মধ্যে একটা X ক্রোমোজোম স্বাভাবিক থাকে এবং অন্যটা হয় অনুপস্থিত থাকে বা গঠনগত অস্বাভাবিক হয় তখন তার ফলে টার্নার সিন্ড্রোম হয়। এই সেক্স ক্রোমোজোমের মধ্যে অস্বাভাবিকতাই টার্নার সিন্ড্রোমের প্রাথমিক কারণ।
বেশীরভাগ ক্ষেত্রে, টার্নার সিন্ড্রোম কোনো বংশগত ব্যাধি নয়। কিন্তু, বিরল ক্ষেত্রে, এই সিন্ড্রোম মা বাবার কাছ থেকে আসতে পারে।

এর প্রধান লক্ষণ ও উপসর্গগুলো 

মহিলারা টার্নার সিন্ড্রোমে আক্রান্ত হলে নীচে দেওয়া উপসর্গগুলো উপস্থিত হয়:

  • ছোট গলা।
  • জন্মের সময় হাত ও পা ফুলে থাকা।
  • নরম নখ, যেগুলো উপরের দিকে ঘুরে যায়।
  • কানের গঠনে অস্বাভাবিকতা।
  • দূর্বল হাড়ের গঠন।
  • দৈহিক উচ্চতা কম হওয়া।
  • হাইপোথাইরয়েডিজম।
  • অনুন্নত ডিম্বাশয়ের কারণে বন্ধ্যাত্ব।
  • মাসিক না হওয়া।

৪২.   একটি আদর্শ অ্যান্টিবডির বর্ণনা চিত্রসহ বর্ণনা করো।

উত্তর :--

অ্যান্টিবডি বা ইমিউনােগ্লোবিউলিনের গঠন (Structure of Antibody or Immunoglobulin)

সকল প্রকার অ্যান্টিবডির একটি সাধারণ গঠন লক্ষ করা যায়। গাঠনিক অংশগুলাে নিম্নরূপ-

১। হালকা চেইন ও ভারী চেইন (Light and Heavy chains)

প্রতিটি অ্যান্টিবডি প্রধানত চারটি পলিপেপটাইড চেইন দ্বারা গঠিত। এদের মধ্যে দুটো দৈর্ঘ্যে ছােট (যাদের প্রতিটিতে প্রায় ২০০-২২০টি অ্যামিনাে এসিড থাকে) ও অপর দুটি আকারে বড় (যাদের প্রতিটিতে প্রায় ৪০০-৪৫০টি অ্যামিনাে এসিড থাকে)।

ছােট পলিপেপটাইড চেইন দুটিকে হালকা চেইন ও বড় পলিপেপটাইড চেইন দুটিকে ভারী চেইন নামে অভিহিত করা হয়। হালকা ও ভারী চেইনের ওজন যথাক্রমে 23KD ও 50-70 KD (KD= KiloDaltons)।কোনাে কোনাে অ্যান্টিবডির চারটির বেশি পলিপেপটাইড শৃঙ্খলও থাকতে পারে।

তবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারী চেইনের প্রান্তে একটি হালকা চেইন সমান্তরালভাবে অবস্থান করে এবং এভাবে প্রান্তদেশে অন্তত দুইটি হালকা ও ভারী উভয় ধরনের জোড়া তৈরি হয়।

২। ডাইসালফাইড বন্ধন (Disulfide bond)

পলিপেপটাইড চেইন শৃঙ্খলগুলাে পরস্পরের সাথে ডাইসালফাইড বন্ধন (s-s) দ্বারা যুক্ত হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে Y-আকৃতির অ্যান্টিবডি গঠন সৃষ্টি করে। কখনাে কখনাে এই আকৃতি T-এর মতােও দেখা যায়।

৩। স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অংশ (Constant and variable region)

প্রতিটি ভারী চেইন ও হালকা চেইনের দুটি অংশ থাকে- একটি অপরিবর্তনশীল অংশ বা স্থায়ী অংশ এবং অপরটি পরিবর্তনশীল অংশ। পরিবর্তনশীল অংশ প্রতিটি নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডির ক্ষেত্রে আলাদা হয় এবং এই অংশেই অ্যান্টিজেনের সঙ্গে অ্যান্টিবডির সংযুক্তি ঘটে। অ্যান্টিজেনের এ অংশটির নাম প্যারাটপ (paratope)। এটি তালা-চাবি ( lock and key) পদ্ধতিতে কাজ করে। এক্ষেত্রে চাবি হচ্ছে প্যারাটপ, আর তালা অ্যান্টিজেন (জীবাণু)।

যেহেতু অধিকাংশ অ্যান্টিবডির অ্যান্টিজেনকে আবদ্ধ করার জন্য দুটি পরিবর্তনশীল অংশ আছে তাই এদের বাইভ্যালেন্ট(bivalent) বলে।


৪৩.  ইতর পরাগযোগ এর সুবিধা গুলি লেখ। অপ্রকৃত ফল কাকে বলে?

উত্তর :- ইতর পরাগযোগ এর সুবিধা গুলি হল :-
            
                ¡) সবল বংশধর সৃষ্টি হয়।
                ¡¡) নতুন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য যুক্ত উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়।
               ¡¡¡) নতুন উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি।
               ¡v) নতুন প্রজাতির উদ্ভব হয়।

অপ্রকৃত ফলঃ   গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। যেমন: আপেল, চালতা ইত্যাদি।

৪৪.  জিন থেরাপি ও জিন ক্লোনিং কি? ট্রান্সজেনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত এমন একটি প্রাণীর নাম লেখ |

উত্তর :-- জিন থেরাপি :- জিন গত ত্রুটির কারণে কোন কোনো রোগ দেখা দিলে রোগাক্রান্ত ব্যাক্তিদের শরীরে ত্রুটিমুক্ত জীন প্রবিষ্ট করিয়ে রোগ নিরাময় কেন্দ্রে বলে।
           উদাহরণ :- দেহ কোষ জিন থেরাপির আন্টি প্রকার হলো DNA ভ্যাকসিন।

জিন ক্লোনিং:- কোন একটা নির্দিষ্ট কোষ বাছাই করে সেই কোষ থেকে প্রাপ্ত জিনের মত হুবহু একই নতুন জিন সৃষ্টি করার প্রক্রিয়াকে জীন ক্লোনিং বলে।
  ট্রান্সজেনিক পদ্ধতিতে ব্যবহৃত একটি প্রাণীর নাম :-   ইঁদুর


৪৫.   মাইকোরাইজা কি?  মাইকোরাইজা জীবজসাররূপে গুরুত্বপূর্ণ কেন ?

উত্তর :--





৪৬.   PAN কী? পরিবেশ দূষণের ভূমিকা কি?

উত্তর :-    PAN :--   পারঅক্সি আসিটাইল নাইট্রেডকে সংক্ষেপে PAN বলা হয়।
এটি একটি গৌণ বায়ু দূষক,  প্রধানত ধোঁয়াশায় নাইট্রোজেন অক্সাইড ও হাইড্রোকার্বন বিক্রিয়া করে এই বিষাক্ত পদার্থ সৃষ্টি করে। বিক্রিয়াটি সূর্যালোকে ঘটে।
         
  বিক্রিয়া :--  NO +HC ➖️ ওজোন (O3) +PAN

 পরিবেশ দূষণে ভূমিকা :--  এই পদার্থের প্রভাবে চোখ জ্বালা অস্বস্তি  ও জল পড়া দেখা যায়। অনেক সময় নাক ও গলায় জ্বালা সৃষ্টি হয়। সাধারণত বড় বড় শহর অঞ্চলে পেট্রোল,  ডিজেল প্রভৃতি বেশিমাত্রায় দহনের ফলে সৃষ্টি হয়। এরা আমাদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন প্রকার রোগ সৃষ্টি করে।
        
 ৪৭.  জীবজ সার হিসেবে সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব লেখ।

উত্তর :--  জীবজ সার হিসেবে সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার গুরুত্ব  :-- একটি সায়ানো ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ হল নীলাভ সবুজ শৈবাল।
             1. অল্প সময়ে অতি দ্রুত মাটির নাইট্রোজেন এর মাত্রা বৃদ্ধি করে সায়ানো ব্যাকটেরিয়া।
              2. মাটির অম্ল ক্ষার এর ভারসাম্য রক্ষা করে । মাটির সছিদ্রতা বাড়িয়ে মাটির জল ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
               3. মাটিতে সালফেট এর পরিমাণ বৃদ্ধি করে এছাড়া উদ্ভিদের বৃদ্ধির সহায়ক বিভিন্ন জৈব বস্তু( হরমোন,  অ্যামাইনো অ্যাসিড ইত্যাদি ) সংযোজন ঘটায়।
                4. এই প্রকার জৈব সার স্বল্পমূল্যের হয় কৃষকদের কাছে সাশ্রয়কারী
               5. এই প্রকার জৈব সার কোন পরিবেশ দূষণ ঘটায় না।

৪৮.   রজঃচক্রের দশা গুলি সংক্ষেপে লেখ।

উত্তর :--রজঃচক্রের দশা গুলি হল :- রজ:চক্র বা ঋতুচক্র ( Menstrual cycle)  বলতে নারীদেহের ২৮ দিনের একটি পর্যায়ক্রমিক শরীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া বোঝায়। প্রথম শুরু হয় সাধারণত এগারো বা বারো বছর বয়সে।(তবে এর আগে নয় বছর বয়সেও হতে পারে। এটা সাধারণত ভৌগোলিক আবহাওয়া, শারীরিক শক্তির উপর নির্ভর করে হয়ে থাকে) তারপর থেকে প্রতিমাসে নিয়মিতভাবে হয়। এই চক্র আটাশ দিন পর পর বা তার কিঞ্চিৎ আগে বা পরেও হতে পারে। মাসিক রজ:চক্রকে তিনটি পর্বে ভাগ করা হয়ে থাকে।

১. মেনোস্ট্রুয়াল পর্যায় এর স্খিতিকাল হলো পাঁচ থেকে সাত দিন বা তিন থেকে চার দিন। এ সময় যোনীপথে রক্তমিশ্রিত রস ক্ষরণ হয়। এতে রক্তের সাথে জরায়ুর অভ্যন্তরীণ অস্খায়ী স্তরের খসে পড়া কোষ কলা এবং কিছু কিছু গ্ল্যান্ডের রস মিশ্রিত থাকে। এ ছাড়া একধরনের টিপিক্যাল পথ থাকে যা থেকে বোঝা যায় এটি মাসিক ঋতুস্রাবের পথে।

২. প্রলিফেরাটিভ পর্যায় এই ফেজ বা সময়ে জরায়ুর অভ্যন্তরে ঝরে যাওয়া কোষ বা কোষের স্তরগুলো ফিমেল হরমোনের প্রভাবে আবার তৈরি হতে শুরু করে।

৩. সিকরেটরি পর্যায় এই সময় জরায়ু বা মাতৃজঠরের অভ্যন্তরের প্রতিটি গ্রন্থি রস নি:সরণের জন্য একেবারে তৈরি হয়ে থাকে। গ্রন্থি ও তার মধ্যবর্তী স্ট্রমা বা টিস্যুতে রস জমে থাকে। যৌনসঙ্গমের ফলস্বরূপ পুরুষের শুক্রাণু কর্তৃক নারীর ডিম্বাণু নিষিক্ত হলে সেটি জরায়ুতে ইমপ্ল্যান্ট (ওশহলথষয়) প্রোথিত হয়। শুরু হয় গর্ভধারণ। যদি নির্দিষ্ট মাসিকের মধ্যে গর্ভধারণ না ঘটে তাহলেই কেবল পরবর্তী মাসিক রজঃস্রাব শুরু হয়।

৪৯.  DNA প্রতিলিপিকরণ পদ্ধতি সংক্ষেপে লেখ ।

উত্তর :--  DNA অনুলিপন বা প্রতিলিপন :- 

যে প্রক্রিয়ায় এটি মাতৃ DNA থেকে তার অনুরুপ DNA উৎপন্ন হয় তাকে DNA প্রতিলিপন বা অনুলিপন বা রেপ্লিকেশন বলে। এক কথায় DNA এর সংখ্যা বৃদ্ধির পদ্ধতি হলো DNA প্রতিলিপন। DNA এর অনুলিপন অর্ধ-সংরক্ষনশীল পদ্ধতিতে হয়ে থাকে।

 অনুলিপন বা প্রতিলিপন পদ্ধতিঃ

DNA ডাবল হেলিক্সের এক বা একাধিক বিন্দুতে প্রতিলিপন শুরু হয়। প্রতিলিপন শুরুর জন্য DNA অনুর এক বা একাধিক স্থান থেকে ক্ষারক জোড় (A=T, G=_C) মুক্ত হয় এবং ডাবল হেলিক্সের পাক খুলতে শুরু হয়। এর ফলে A=T, G=_C নিউক্লিয়োটাইডের মধ্যকার হাইড্রোজেন বন্ধন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ডাবল হেলিক্স দুটি একক হেলিক্সে পরিনত হয়।

পৃথক হওয়া প্রাতাট হেলিক্স নতুন সম্পুরক হেলিক্স তৈরির ছাঁচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ডবল হেলিক্সের নিউক্লিওটাইড জোড় ভেঙ্গে অগ্রসর হওয়ার ফলে সেখানে “Y” আকৃতির একটি রেপ্লিফেকশন  ফর্ক তৈরি হয়।

পৃথক হয়ে যাওয়া ডবল হেলিক্সের দুটি সূত্রের একটি তার প্রতিরুপ সৃষ্টি করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে ফর্ক এর দিকে বৃদ্ধি পেতে থাকে। অনুরুপভাবে অপর সূত্রটিও তার প্রতিরুপ সৃষ্টি করে।

         DNA অনুলিপন 

এভাবেই পরিপূর্ন ডাবল হেলিক্সিটিই প্রতিলিপিত হয়ে হয়ে দুটি ডাবল হেলিক্সে পরিনত হয় এবং প্রতিলিপন সমাপ্ত হয়। পরবর্তিতে নতুন সৃষ্ট ডাবল হেলিক্স দুটি পুরানো ডাবল হেলিক্স হতে মুক্ত হয়ে স্বতন্ত্র ডাবল হেলিক্স অর্থাৎ DNA তে পরিনত হয়।

প্রতিটি নতুন ডাবল হেলিক্সে একটি সূত্র নতুন ও একটি সূত্র পুরাতন থাকে।

👇👇👇👇





মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Madhyamik History Suggestion 2025 | মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

West Bengal Class 9 LifeScience Suggestion।।নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান 2022 | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া||

Class 7 Second Unit Test Model Question 2022