MADHYAMIK LIFE SCIENCE SUGGESTION 2023 || মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩

Madhyamik Life Science Suggestion 2023| মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩

Madhyamik Life Science Suggestion 2023

মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩

SUGGESTED BY :--  Soumen Bera  
Dated on       :-  28th March

Youtube link 👇👇👇

https://youtube.com/channel/UC2G5OopNA2zX4ia0t8sEYKA

Madhyamik Life Science Suggestion 2023 | মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ : West Bengal Madhyamik Life Science Suggestion 2023 | পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩প্রশ্ন উত্তর নিচে দেওয়া হলো। এই Madhyamik Life Science Suggestion 2023– মাধ্যমিক  জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ MCQ, সংক্ষিপ্ত, অতিসংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর  গুলি আগামী West Bengal Madhyamik Life Science Examination 2023 – পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান 2023সালের পরীক্ষার জন্য খুব ইম্পর্টেন্ট।  আপনারা যারা মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর পরীক্ষার জন্য Madhyamik Life Science Suggestion 2023|  মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ খুঁজে চলেছেন, তারা নিচে দেওয়া Madhyamik Life Science Suggestion 2023– মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারেন। West Bengal Madhyamik Life Science 2023পরীক্ষা তে এই কোশ্চেন গুলো আসার সম্ভাবনা খুব বেশি।

   মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান 2023 পরীক্ষার সম্ভা৩ব্য প্রশ্ন উত্তর ও শেষ মুহূর্তের সাজেশন ডাউনলোড। পশ্চিমবঙ্গ মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য সমস্ত রকম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর বা মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩ – Madhyamik Life Science Suggestion 2023 নিচে দেওয়া হয়েছে।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান – জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় (প্রথম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | Madhyamik Life Science Question and Answer :

প্রতিটি প্রশ্নের মান  --  2 / 3


1. দরজার ঘন্টা বাজার শব্দ শুনে তুমি যেভাবে দরজা খুলবে সেই সময় পত্রে একটি শব্দ ছকের মাধ্যমে দেখাও  |

উত্তর :-  দরজায় ঘন্টা বাজা (উদ্দীপক ) কান (গ্রাহক ) সংজ্ঞাবহ স্নায়ুকোশ স্নায়ুকেন্দ্র (মস্তিস্ক ) ➡️ আজ্ঞাবহ স্নায়ুকোশ হাত, পায়ের পেশি (কারক )➡️ দরজা খুলে দেওয়া |

2. মেনিনজেস ও CSFএর অবস্থান বিবৃতি কর |

উত্তর :-  মেনিনজেস এর অবস্থান :- মস্তিস্ক ও সুষুম্না কাণ্ডকে ঘিরে অবস্থান করে |
           CSF এর অবস্থান :-- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের 
 গহবরে সুষুম্নাকান্ডের কেন্দ্রীয়নালী ও suberakonoyed স্থানে অবস্থান করে |

3. উদ্ভিদের বীজ ও পর্ব মধ্যের উপর জিব্বেরেলিন হরমোন এর কি কি প্রভাব ফেলে তা লেখ |

উত্তর :--  জিব্বেরেলিন হরমোন এর প্রভাব :--
    1. বীজের সুপ্তা দশা ভঙ্গ করে অঙ্কুরোধগমে সাহায্য করে |
    2.  উদ্ভিদের পর্বমধ্যের বৃদ্ধি করে  |

4. অক্ষিগোলকের বিভিন্ন প্রতিসারক মাধ্যম গুলোর নাম ক্রমানুসারে লেখ |

উত্তর :- কর্নিয়া --- অ্যাকুয়াস হিউমার ---- লেন্স --- ভিট্রিয়াস হিউমার


5. অ্যাকশন ও ডেনড্রন এর মধ্যে পার্থক্য লেখ| নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ---
1. গঠনগত  ও  2. কার্যগত

উত্তর :--কোষদেহ থেকে উৎপন্ন লম্বা সুতার মতো অংশকে অ্যাক্সন (axon) বলে। একটি নিউরনে একটি মাত্র অ্যাক্সন(axon)থাকে। অ্যাক্সন ও ডেনড্রন এর পার্থক্য নিম্নরূপ-

১। অ্যাক্সন স্নায়ুকোষের চেস্টিয় বা আজ্ঞাবহ অংশ। 

১। ডেনড্রন স্নায়ুকোষের সংজ্ঞাবহ অংশ।

২। অ্যাক্সন সাধারণত শাখাহীন, কখনও কখনও স্বল্প শাখাযুক্ত হয়।

২। অন্যদিকে ডেনড্রন শাখাপ্রশাখা যুক্ত।

৩।অ্যাক্সনে নিউরোলেম্মা ও মায়োলিনের আবরণ থাকে। ৩।  অন্যদিকে ডেনড্রনে নিউরোলেম্মা ও মায়োলিনের আবরণ থাকে না।

৪।অ্যাক্সনে স্বোয়ান কোষ থাকে।

৪। অন্যদিকে ডেনড্রনের মধ্যে স্বোয়ান কোষ থাকে না।৫। অ্যাক্সনে নিজল দানা থাকে না।অন্যদিকে ডেনড্রনে নিজল দানা থাকে।

৫। অ্যাক্সনে রানভিয়ারের পর্ব থাকে।

৫। অন্যদিকে ডেনড্রনে রানভিয়ারের পর্ব থাকে না।

৬। স্নায়ুস্পন্দন বহন করা হল অ্যাক্সনের প্রধান কাজ। ৬। অন্যদিকে স্নায়ুস্পন্দন গ্রহন করা হল ডেনড্রনের প্রধান কাজ ।


6.  অর্জিত বা শর্তাধীন প্রতিবর্ত ক্রিয়া কাকে বলে? উদাহরণ দাও |

উত্তর :--অভ্যাসগত বা শর্তাধীন প্রতিবর্ত ক্রিয়া [Habitual or Conditional reflex action]:-     যেসব প্রতিবর্ত ক্রিয়া জন্মের পর বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত হয়, তাকে অভ্যাসগত প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে । যেমন: কোনো কাজ বারবার অনুশীলন করলে কিছুদিন পর মস্তিষ্কের সাহায্য ছাড়াই ওই কাজটি করা সম্ভব হয় । এই রকম প্রতিবর্ত ক্রিয়া শর্ত সাপেক্ষ হওয়ায় একে শর্তাধীন প্রতিবর্ত ক্রিয়াও বলে ।
উদাহরণ :- বিজ্ঞানী প্যাভলভ প্রতিদিন নির্দিষ্ট এক সময়ে ঘন্টাধ্বনি করে একটি কুকুরকে খাবার দিতেন । এইভাবে কয়েকদিন অনুশীলনের পর কুকুরটিকে খাবার না দিয়ে কেবল ঘন্টাধ্বনি করে দেখলেন যে, কুকুরটির লালা নিঃসরণ হয়েছে । এরকম প্রতিবর্ত ক্রিয়াকে তিনি অভ্যাসগত প্রতিবর্ত ক্রিয়া বা শর্তাপেক্ষ প্রতিবর্ত ক্রিয়ারূপে অভিহিত করেন । শিশুদের হাঁটতে শেখা, কথা বলতে শেখা ইত্যাদি এই জাতীয় প্রতিবর্ত ক্রিয়ার উদাহরণ ।

7. পিত্যুইটারিকে প্রভু গ্রন্থি  ( মাস্টার গ্লান্ড ) বলে কেন? 

উত্তর :--পিটুইটারি গ্রন্থি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। দেহের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নালিবিহীন গ্রন্থি হলেও এটি আকারে সবচেয়ে ক্ষুদ্র। এই গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিক, সোমাটোট্রপিক, থাইরয়েড উদ্দীপকে হরমোন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়। এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যায় যেমন বেশি, অপরদিকে অন্যান্য গ্রন্থির ওপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। Yyএজন্য পিটুইটারি গ্রন্থিকে প্রধান/প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।

8. একনেত্র ও দ্বিনেত্র দৃষ্টি  কাকে বলে? উদাহরণ দাও

উত্তর :-একনেত্রদৃষ্টি :-- যখন একইসঙ্গে দুটি চোখে দুটি আলাদা বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয় অর্থাৎ, দুটি আলাদা বস্তু দেখা যায়, তখন সেই দৃষ্টিকে একনেত্র দৃষ্টি বলে।

উদাহরণ: ব্যাং, ঘােড়া, গােরু ইত্যাদির দৃষ্টি একনেত্র দৃষ্টি।

দ্বিনেত্র দৃষ্টি :--একই সঙ্গে দুটি চোখ দিয়ে একটি বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হলে অর্থাৎ, দুটি চোখ দিয়ে একটিমাত্র বস্তুকে সুস্পষ্ট দেখা গেলে সেই দৃষ্টিকে দ্বিনেত্র দৃষ্টি বলে।

উদাহরণ :- মানুষ

9.  মেনিনজেস কি? এর কাজ লেখো |

উত্তর :--     মেনিনজেস :--    মস্তিষ্কসহ সুষুম্নাকাণ্ড ডুরাম্যাটার, অ্যারাকনয়েডম্যাটার ও পায়াম্যাটার – এই ত্রিস্তরীয় যে আবরণে আবৃত থাকে তাকে মেনিনজেস বলে।

মেনিনজেসের কাজ হল - 

(i) মস্তিষ্ক সুষুম্নাকাণ্ড কে আঘাত ও সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা। 
(ii) মেনিনজেস করোটি এবং মস্তিষ্কের গোলার্ধ দয়ে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে।

10. ক্যাটারেক্ট বা চোখে ছানি পড়া বলতে কি বোঝায়? 

উত্তর :--      ক্যাটাব়্যাক্ট বা ছানি:--   ক্যাটাব়্যাক্ট বা ছানি হলো এমন একটি অসুখ, যেখানে আমাদের চোখের লেন্স ঘোলাটে হয়ে ওঠে ফলে স্বাভাবিক দৃষ্টি বাধাপ্রাপ্ত হয়। 

11.  মাছের গমনে মায়াটোম পেশির ভূমিকা লেখো |

উত্তর :-মাছের গমনে মায়াটোম পেশির ভূমিকা  :--     মাছের দেহের মেরুদণ্ডের দু’পাশে V-আকৃতির মায়ােটাম পেশি থাকে। মায়ােটাম পেশি ডানদিকে সংকুচিত হলে মাছের দেহ ডানদিকে বেঁকে যায়। আবার এই পেশি বামদিকে সংকুচিত হলে দেহ বামদিকে বেঁকে যায়। এইভাবে মায়ােটাম পেশির সংকোচন ও প্রসারণে মাছের দেহ আন্দোলিত হয়। এই আন্দোলন সামনের অংশ থেকে পিছনের অংশে অগ্রসর হয়, ফলে মাছ সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

12. প্রাণীদের গমণের যেকোনো তিনটি উদ্দেশ্য লেখো |

উত্তর :-গমণের যেকোনো তিনটি উদ্দেশ্য:--
১) খাদ্য সংগ্রহের জন্য প্রাণীরা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে গমন করে।

২)আত্মরক্ষার তাগিদে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে গমন করে।

৩ ) উপযুক্ত বাসস্থান এর জন্য স্থানান্তরে গমন করে।

৪) প্রজনন পক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য ও স্থানান্তরে গমন করে।

13.  মাইনোভিয়াল অস্থি সন্ধি কাকে বলে? উদাহরণ দাও  |

উত্তর :-সরল সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি:---
যখন দুটি অস্থি একসঙ্গে মিলিত হয়ে একটি অস্থিসন্ধি গঠন করে, তখন তাকে সরল সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি বলে।

জটিল সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি :--
দুইয়ের বেশি অস্থি মিলে অস্থিসন্ধি তৈরি হলে তাকে জটিল সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধি বলে।

উদাহরণ :-- আমাদের হাঁটুর জয়েন্ট, কনুইয়ের সন্ধি, স্কন্ধ সন্ধি প্রভৃতি সাইনোভিয়াল অস্থিসন্ধির উদাহরণ

14. মিশ্র গ্রন্থি কাকে বলে? উদাহরণ দাও |

উত্তর :-মিশ্র গ্রন্থি:-- যে গ্রন্থি অনাল ও সনাল উভয় গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত, অর্থাৎ উৎসেচক ও হরমোন উভয়ই ক্ষরণ করে তাকে মিশ্র গ্রন্থি বলে।
যেমন- অগ্ন্যাশয়।

15.  ট্রপিক  ও স্থানীয় হরমোন কাকে বলে ? উদাহরণ দাও |

উত্তর :-    ট্রপিকহরমোন:-     যে সমস্ত হরমোন কোনো একটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত হয়ে দূরবর্তী কোনো স্থানে পরিবাহিত হয়ে অন্য কোনো অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপিত করে তাদের ট্রপিক হরমোন বলে।
ACTH, FSH, LH, STH কয়েকটি ট্রফিক হরমোনের উদাহরণ
        স্থানীয় হরমোন :- যেসব হরমোনের ক্রিয়া সাধারণত উৎসস্থল বা উৎস গ্রন্থিতে সীমাবদ্ধ, তাদের স্থানীয় হরমোন বা লােকাল হরমোন বলে।

উদাহরণ: পাকস্থলী নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিক, ক্ষুদ্রান্ত্র নিঃসৃত সিক্রেটিন ইত্যাদি।

16. উপযোজন কাকে বলে ?

উত্তর :-    উপযোজন:-   স্থান পরিবর্তন না করে অক্ষিগোলকের পেশি ও লেন্স-এর সাহায্যে যে পদ্ধতিতে বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত বস্তুকে স্পষ্টভাবে দেখা যায় তাকে উপযোজন বলে। 

17. থাইরক্সিনের কাজ লেখো |

উত্তর :-       থাইরক্সিনের :--  ১. থাইরক্সিন মানবদেহে শর্করা, স্নেহপদার্থ, প্রোটিন ও খনিজ লবণের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
                                            ২. থাইরক্সিন রক্তের লােহিত রক্তকণিকার ক্রমপরিণতিতে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, তাই থাইরক্সিন হরমোনের।

বিঃ দ্রঃ :-থাইরোক্সিনের অভাবে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া রোগ সৃষ্টি হয়।

18. সাইন্যাপস কি?  এর কাজ লেখো |

উত্তর :-     সাইন্যাপস  :-   দুটি নিউরোনের যে সংযোগস্থলে একটি নিউরোন শেষ হয় এবং অপর একটি নিউরোন শুরু হয়, তাকে স্নায়ুসন্নিধি বা সাইন্যাপস বলে
সাইন্যাপস এর কাজ :--
১. সাইন্যাপস স্নায়ুস্পন্দনকে (nerve impulse) এক নিউরোন থেকে অপর এক নিউরোনে প্রবাহিত করে ।
২. যখন পূর্ববর্তী নিউরোন থেকে স্নায়ুস্পন্দন ওই নিউরোনের অ্যাক্সনের শেষ প্রান্তে আসে তখন অ্যাসিটাইল কোলিন নিঃসৃত হয়ে স্নায়ুস্পন্দনকে পরবর্তী নিউরোনের ডেনড্রাইটের মধ্যে প্রবাহিত করে ।


19. স্নায়ুগ্রন্থি বা নার্ভ গ্যাংলীয়ন কি? এর কাজ লেখো |

উত্তর :-  স্নায়ুগ্রন্থি বা নার্ভ গ্যাংলীয়ন :- কয়েকটি স্নায়ুকোষের কোষদেহগুলি একত্রিত হয়ে যে গ্রন্থির সৃষ্টি করে, তাকে স্নায়ুগ্রন্থি বা নার্ভ গ্যাংলিয়ন বলে। 
স্নায়ুগ্রন্থির কাজ : (1) স্নায়ুগ্রন্থি থেকে স্নায়ুর উৎপত্তি হয়। (2) নিউরাে-সিক্রেসন্ (neuro-secretion) নামকরস ক্ষরণ করে স্নায়ুতন্ত্রকে সিক্ত রাখা।

20. অশ্রুগ্রন্থি কোথায় থাকে?  এর কাজ লেখো|

উত্তর :-   অশ্রুগ্রন্থিএর অবস্থান :--  উভয় চোখের অক্ষিকোটরের বাইরের দিকে যেখানে ঊর্ধ্ব ক্ষুপল্লব অক্ষিকোটরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, সেখানে বাদামি বর্ণের বলের ন্যায় আকৃতিবিশিষ্ট অশ্রুগ্রথ্থিটি অবস্থিত।

অশ্রুগ্রন্থি- -এর কাজ:- ১.অণু গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত অশ্রু নালিপথে কনজাংটিভার ব্যা ওপর ছড়িয়ে পড়ে এবং চোখের সিক্ততা বজায় রাখে।
২. তা ছাড়া অশ্রু জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে।

21. কোরয়েড কোথায় থাকে? এর কাজ লেখো |
উত্তর :- কোরয়েড এর অবস্থান  :অক্ষিগােলকের পশ্চাদভাগে অবস্থিত রক্তবাহ সমন্বিত  মাঝের স্তরটির হল কোরয়েড। এই অংশে মেলানিন থাকার জন্য এটি কালাে বর্ণের হয়।


কোরয়েড এর কাজ :-

 ১. চক্ষুগােলককে পুষ্টি প্রদান করে।

২. কোরয়েডে মেলানিন নামক একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে তা চোখের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ হিসেবে কাজ করে।

22.  সুষুম্না কাণ্ডের কাজ লেখো |

উত্তর :-সুষুম্নাকাণ্ডের কাজ হলো-

১.বিভিন্ন ধরনের মোটর এবং সেন্সরি পথ বহন করা।
২.বিভিন্ন তথ্যের সমন্বয় করা।
৩.বিভিন্ন প্রতিবর্তী কাজের সাথে এটি জড়িত।

23.  ফটোট্রোফিক চলন কাকে বলে?

উত্তর :-

ফটোট্রপিক চলন (Phototropic Movement):

উদ্ভিদ অঙ্গের চলন যখন আলোক উৎসের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে ফটোট্রপিক চলন বা আলোকবর্তী চলন বলে।

সহজ ভাবে, আলোক উৎসের গতিপথ অনুসারে যে ট্রপিক চলন হয়, তাকে ফটোট্রপিক চলন বলে।

উদাহরণ: উদ্ভিদের কান্ড, শাখা, প্রশাখার বৃদ্ধি ফটোট্রপিক চলনের উদাহরণ।


24. সরল ও জটিল প্রতিবর্ত ক্রিয়ার একটি করে উদাহরণ দাও  |

উত্তর :-[i] সরল প্রতিবর্ত ক্রিয়া [Simple reflex action]:- যে প্রতিবর্ত ক্রিয়া কেবলমাত্র সুষুম্নাকান্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, এবং প্রতিবর্ত পথ অল্প সংখ্যক স্নায়ুকোষ দিয়ে গঠিত থাকে তাকে সরল প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে ।
যেমন : চোখে কিছু পড়ার উপক্রম হলে চোখ    দুটি আপনা থেকেই বুজে যায় । 


[ii]  জটিল প্রতিবর্ত ক্রিয়া [Complex reflex action]:-  যে প্রতিবর্ত ক্রিয়ায় সুষুম্নাকান্ড ছাড়াও মস্তিষ্কের সাহায্যের প্রয়োজন হয়, এবং প্রতিবর্ত পথে বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ থাকে, তাকে জটিল প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে ।
 যেমন: হাঁটা-চলা, সাইকেল চালানো ব্যাঙের শিকার ধারা ইত্যাদি ।   

25. হরমোনকে রাসায়নিক সমন্বয়সাধক বলে কেন?

উত্তর :- হরমোন এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ। জীবদেহের বিভিন্ন কোশ বা গ্রন্থিতে উৎপন্ন হয়ে হরমোন সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণীদেহে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের সমন্বয় সাধন করে। আবার উদ্ভিদদেহে স্নায়ুতন্ত্র না থাকায় হরমোনই সমন্বয় সাধনের কাজ করে। তাই হরমোনকে রাসায়নিক সমন্বয় সাধক বলে।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Madhyamik History Suggestion 2025 | মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

West Bengal Class 9 LifeScience Suggestion।।নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান 2022 | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া||

Class 7 Second Unit Test Model Question 2022