মাধ্যমিক সাজেশন 2022

মাধ্যমিক সাজেশন 2022 
80% কমন   
      


এক কথায় উত্তর দাও : (মান - 1)

1. পরিবেশের যে সব পরিবর্তন শনাক্ত হয় এবং প্রাণীদেহে উদ্দীপনা সৃষ্টি করে তাদের কী বলে ?

ans. উদ্দীপক বলে ।

2. প্রোটোপ্লাজমের আবর্তনগতি বা সারকুলেশন কোথায় দেখা যায় ?

ans. কুমড়ো গাছের কাণ্ডের রোমে ।

3. গমনে সক্ষম একটি উদ্ভিদের নাম কী ?

ans. ক্ল্যামাইডোমোনাস ।

4. প্রকরণ চলন কোথায় দেখা যায় ?

ans. বনচাঁড়ালের পত্রকে ।

5. উদ্ভিদ অঙ্গের চলন যখন উদ্দীপকের গতিপথ অনুসারে না হয়ে তীব্রতা অনুসারে হয় তাকে কী চলন বলে ?

ans. ন্যাস্টিক চলন ।

6. উদ্ভিদ দেহের উদ্দীপকের প্রভাবে স্থানান্তরে গমনকে কী বলে ?

ans. ট্যাকটিক চলন ।

7. তেঁতুল পাতার পত্রগুলি প্রখর আলো ও অধিক উষ্নতায় খুলে যায় এবং কম আলো ও কম তাপে মুদে যায়, এটি কী প্রকারের চলন ?

ans. নিকটিন্যাস্টিক চলন ।

8. ক্ষণপদের সাহায্যে গমন হয় কোন প্রাণীর ?  

ans. অ্যামিবার ।

9. মানবদেহের কোন কোশে ক্ষণপদ দেখা যায় ?

ans. শ্বেত রক্তকণিকা ।

10. অ্যামিবার গমনকে কী বলে ?

ans. অ্যামিবয়েড গতি ।

11. একটি মুখ্য জলজ প্রাণীর উদাহরণ দাও ।

ans. মাছ মুখ্য জলজ প্রাণী ।

12. একটি মুখ্য খেচর প্রাণীর উদাহরণ দাও।

ans. পায়রা মুখ্য খেচর প্রাণী ।

13. একটি অ্যাবডাক্টর পেশির উদাহরণ দাও ।

ans. ডেলটয়েড পেশি।

14. যে প্রক্রিয়ায় কোনো অঙ্গাকে দেহাক্ষের নিকটবর্তি হতে সাহায্য করে তাকে কী বলে ?  

ans. অ্যাডাকশন বলে।

15. একটি অ্যাক্টর পেশির উদাহরণ দাও ।

ans. ল্যাটিসিমাস ডরসি ।

16. রোটেশন কাকে বলে?

ans. যে প্রক্রিয়ার দেহের কোনো অংশ আবর্তিত হয় তা রোটেশন বলে ।

17. মানবদেহের দীর্ঘতম অস্থি কোনটি ?

ans. ফিমার ।

18. একটি এক্সটেনসর পেশির উদাহরণ দাও ।

ans. ট্রাইসেপস ।

19. কৃষিক্ষেত্রে আগাছা নির্মূল করার জন্য কোন্ কৃত্রিম হরমোন প্রয়োগ করা হয় ?

ans. কৃত্রিম অক্সিন (2, 4-D)।

20. পত্রমোচন বিলম্বিত করে কোন হরমোন ?

ans. সাইটোকাইনিন।

21. জিব্বেরেলিনের রাসায়নিক উপাদানগুলি কী কী ?

ans. জিব্বেরেলিনের রাসায়নিক উপাদানগুলি হল- কার্বন,হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।

22. জিব্বেরেলিনের দুটি উৎস উল্লেখ করো।

ans. জিব্বেরেলিন উদ্ভিদের পরিপক্ক বীজে ও বীজপত্রে পাওয়া যায়।

23. উদ্ভিদের অগ্রথ প্রকটতা ঘটায় কোন হরমোন?

ans. অক্সিন।

24. হরমোনের পরিণতি কী ?

ans. হরমোন ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

25. একটি ট্রফিক হরমোনের উদাহরণ দাও।

ans. থাইরোট্রফিক হরমোন বা TSH ।

26. আয়োডিন কোন হরমোনের উপাদান ?

ans. থাইরক্সিন।

27. প্রাণী হরমোনের উৎস কী ?

ans. এন্ডোক্রিন গ্রন্থি বা অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি।

28. একটি অ্যামাইনোধর্মী হরমোনের নাম কী ?

ans. অ্যাড্রিনালিন।

29. GH-এর পুরো নাম কী ?

ans. গ্রোথ হরমোন ।

30. GTH এর পুরো নাম কী ?

ans. গোনাডোট্রফিক হরমোন।

31. LH হয় পুরো নাম কী ?

ans. লিউটিনাইজিং হরমোন।

32. LTH হয় পুরো নাম কী ?

ans. লিউটোট্রফিক হরমোন।

33. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে কী কী হরমোন নিঃসৃত হয় ?

ans. অ্যাড্রিনালিন ও নন অ্যাড্রিনালিন।

34. GH এর কম ক্ষরণে কী রোগ হয় ?

ans. বামনত্ব বা ডোয়ারফিজম।

35. GH এর অধিক ক্ষরণে কী রোগ হয় ?

ans. জাইগ্যানটিজম বা অতিকায়ত্ব।

36. অ্যাক্রোমেগালি রোগ কী কারণে হয় ?

ans. STH এর অধিক ক্ষরণের ফলে হয়।

37. কারক কাকে বলে ?

ans. যে সব অঙ্গ উদ্দীপনায় উদ্দীপিত হয় তাকে কারক বা ইফেকটর বলে। যেমন—গ্রন্থি ও পেশি ।

38. স্নায়ুকোশের দীর্ঘ প্রবর্ধকের নাম কী ?

ans. অ্যাক্সন ।

39. অ্যাক্সনের শেষ প্রান্তের সূক্ষ্ম শাখাগুলিকে কী বলে ?

ans. প্রান্তবুরুশ বলে ।

40. একটি ইফারেন্ট স্নায়ুর (আজ্ঞাবহ স্নায়ু) উদাহরণ দাও ।

ans. অকিউলোমোটর স্নায়ু ।

41. নিউরোন কত প্রকারের ?

ans. নিউরোন প্রধানত তিন প্রকারের, যথা—(i) সংজ্ঞাবহ নিউরোন, (ii) আজ্ঞাবহ নিউরোন ও (ii) সহযোগী নিউরোন।

42.স্নায়ুতন্ত্রের একক কী ?

ans. স্নায়ুকোশ বা নিউরোন।

43. একটি নিউরোহরমোনের উদাহরণ দাও।

ans. ভেসোপ্রেসিন বা ADH ।

44. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ দুটি কী কী?

ans. মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড ।

45. স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র কত প্রকারের?

ans. স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র দুপ্রকারের যথা- সমবেদী ও পরাসমবেদী ।

46. গুরুমস্তিষ্কের কটি গোলার্ধ এবং কী কী?

ans. দুটি গোলার্ধ-বাম গোলার্ধ ও ডান গোলার্ধ ।

47. সুষুম্নাকাণ্ডের শেষ প্রান্তের সূঁচালো অংশকে কী বলে?

ans. ফাইলাম টারমিনেল ।

48. প্রাত্যহিক জীবন থেকে প্রতিবর্তের একটি গুরুত্ব উল্লেখ করো ।

ans. খেতে খেতে শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে বিষম খাওয়া বা কাশি হওয়া ।

49. চক্ষুর কোন স্তরে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়?

ans. রেটিনায় বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয় ।

50. লেন্স এর কাজ কী ?

ans. আলোর প্রতিসরণ ঘটিয়ে রেটিনায় ফোকাস সৃষ্টি করে ।

51. ভিট্রিয়াস হিউমর কোথায় থাকে ?

ans. লেন্স-এর পশ্চাদ প্রকোষ্ঠে থাকে ।

52. স্নায়ুতন্ত্রের গঠনমূলক ও কার্যমূলক উপাদান কোনটি ?

ans. নিউরোন বা স্নায়ুকোশ ।

53. লঘুমস্তিষ্কের গোলকদ্বয়ের সংযোজক কোনটি ?

ans. ভারমিস ।

সংক্ষিপ্ত উত্তরভিত্তিক প্রশ্নোত্তর : (মান - 1)

1. চলন বা সঞ্চালন কাকে বলে ?

ans. যে প্রক্রিয়ায় জীব স্বতঃস্ফুর্তভাবে বা কোনো উদ্দীপকের প্রভাবে দেহের কোনো অংশ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঙ্গালন করে তাকে চলন বা সঞ্চালন বলে ।

2. ট্রপিক ও ট্যাকটিক চলনের মূল পার্থক্য কী ?

ans. ট্রপিক চলনে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয় না, ট্যাকটিক চলনে উদ্ভিদের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয়।

3. জিওট্রপিক চলন কাকে বলে?

ans. উদ্ভিদ অঙ্গের চলন যখন অভিকর্ষের গতিপথ অনুসারে হয়, তখন তাকে জিওট্রপিক চলন বলে । যেমন— উদ্ভিদের মূল অভিকর্ষের টানে মাটির গভীরে প্রবেশ করে ।

4. প্রাণীদের গমনের দুটি উদ্দেশ্য উল্লেখ করো ।

ans. প্রাণীদের গমনের দুটি উদ্দেশ্য হল- (i) খাদ্য অন্বেষণের জন্য প্রাণীদের গমন হয় । (ii) বাসস্থান খোঁজার জন্য প্রাণীদের গমন হয় ।

5. সিলিয়ারি গমন কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।

ans. সিলিয়ার আন্দোলনের সাহায্যে যে গমন তাকে সিলিয়ারি গমন বা সিলিয়ারি গতি বলে| যেমন -প্যারামিসিয়ামের গমন ।  

6. মাছের গমনে পুচ্ছ পাখনার ভূমিকা কী ?

ans. পুচ্ছ পাখনা গমনকালে মাছকে দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে ।

7. মানুষের গমনকালে ভারসাম্য রক্ষা করে কোন কোন অঙ্গ ?

ans. মানুষের গমনকালে লঘুমস্তিষ্ক এবং কর্ণের অর্ধচন্দ্রাকার নালি ও অটোলিথ যন্ত্র দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে ।

8. সচল অস্থিসন্ধি কাকে বলে? উদাহরণ দাও ।

ans. দুটি অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে । যে সব অস্থিসন্ধি নড়াচড়া করতে পারে তাদের সচল অস্থিসন্ধি বলে। যেমন-হিপ সন্ধি, হাঁটু সন্ধি।

9. কব্জা সন্ধি কাকে বলে ? একটি উদাহরণ দাও।

ans. একটি অস্থির গোল প্রান্ত যখন অপর একটি অস্থির অর্ধগোলাকার অবতল অঙ্গে যুক্ত থাকে, তখন তাকে কব্জা সন্ধি বলে। হাঁটু সন্ধি, কনুই সন্ধি এই প্রকারের সন্ধি ।

10. হরমোন ও উৎসেচকের দুটি পার্থক্য কী ?

ans. (i) হরমোন ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, কিন্ত উৎসেচক ক্রিয়ার পর ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় না। (ii) হরমোন অন্তঃক্ষরা কোশ থেকে নিঃসৃত হয়। কিন্তু উৎসেচক বহিঃক্ষরা কোশ থেকে ক্ষরিত ।

11. হরমোনের দুটি কাজ উল্লেখ করো ।

ans. (1) হরমোন জীবদেহের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। (2) হরমোন জীবদেহে যৌন লক্ষণ প্রকাশে সাহায্য করে।

12. হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলে কেন ?

ans. হরমোন কোশে কোশে রাসায়নিক বার্তা বহন করে তাই হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলে।

13. সাইটোকাইনিনের দুটি কাজ বা ভূমিকা উল্লেখ করো ।

ans. (i) সাইটোকাইনিন অগ্রমুকুলের বৃদ্ধির হ্রাস ঘটিয়ে পার্শ্বীয় মুকুলের বৃদ্ধি ঘটায়। (ii) পত্রমোচন বিলম্বিত করে এবং ক্লোরোফিল বিনষ্টকরণ প্রতিহত করে।

14. উদ্ভিদের একটি প্রকল্পিত হরমোনের নাম ও তার কাজ উল্লেখ করা ।

ans. উদ্ভিদের একটি প্রকল্পিত হরমোন হল ফ্লোরিজেন। এটি ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।

15. অক্সিনের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো ।

ans. (1) অক্সিনের প্রবাহ সবসময় মেরুবর্তী (1) অক্সিনের ক্রিয়া অন্ধকারে ভালো হয়।

16. জিব্বেরেলিনের প্রধান কাজ কী ?

ans. জিব্বেরেলিনের প্রধান কাজগুলি হল খর্বাকার উদ্ভিদের বৃদ্ধি, কাক্ষিক মুকুলের পরিস্ফুটন এবং বীজের সুপ্ত অবস্থা ভঙ্গ করতে সাহায্য করা।

17. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কাকে বলে ? একটি উদাহরণ দাও ।

ans. যে স্থির ক্ষরিত বস্তু নালিপথের মাধ্যমে বাইরে আসে না, সরাসরি রক্তে মিশে যায়, তাকে অন্তঃক্ষরা বা অনাল গ্রন্থি বলে। যেমন পিটুইটারি, থাইরয়েড।

18. হরমোন উৎপাদক গ্রন্থিকে অনাল গ্রন্থি বলে কেন ?

ans. হরমোন উৎপাদক গ্রন্থির কোনো নালি থাকে না, ফলে এই গ্রন্থির ক্ষরিত রস (হরমোন) গ্রন্থিকলার বাইরে আসতে পারে তাই হরমোন উৎপাদক গ্রন্থিকে অনাল গ্রন্থি বলে।

19. প্রাণী হরমোনের ধর্ম কীরূপ ?

ans. হরমোন প্রোটিনধর্মী বা স্টেরয়েডধর্মী বা অ্যামাইনোধর্মী।

20. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির অপর নাম কী ? এটি কোথায় অবস্থিত ?

ans. অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির অপর নাম সুপ্ৰারেনাল গ্রন্থি। এটি বুকের ওপর অবস্থিত।

21. হাইপো ও হাইপারগ্লাইসিমিয়া কাকে বলে ?

ans. রক্তে শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক অপেক্ষা কমে গেলে তাকে হাইপোগ্লাইসিমিয়া এবং শর্করার পরিমাণ স্বাভাবিক অপেক্ষা বেশি হলে তাকে হাইপারগ্লাইসিমিয়া বলে।

22. কখন মূত্রের সঙ্গে শর্করা নির্গত হয় ? ওই অবস্থাকে কী বলে ?

ans. যখন 100 সিসি রক্তে শর্করার পরিমাণ 18০ মিগ্রা হয়, তখন মূত্রের সঙ্গে শর্করা নির্গত হয় ওই অবস্থাকে গ্লুকোসুরিয়া বলে।

23. নিওপ্লুকোজেনেসিস বা গ্লুকোনিওজেনেসিস কাকে বলে ?

ans. করা ছাড়া প্রোটিন, ফ্যাট ইত্যাদি উপাদান থেকে গ্লাইকোজেন বা গ্লুকোজ উৎপাদনকে নিওপ্লুকোজেনেসিস বা গ্লুকোনিওজেনেসিস বলে।

24. অগ্ন্যাশয়কে মিশ্রগ্রন্থি বলার কারণ কী ?

ans. অগ্ন্যাশয় সনাল ও অনাল উভয় প্রকার গ্রন্থির সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় একে মিশ্রগ্রন্থি বলা হয়।

25. শুক্রাশয় ও ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত একটি করে হরমোনের নাম ও তাদের কাজ উল্লেখ করো ।

ans. শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন টেস্টোস্টেরন, যা পুরুষদেহে গৌণ যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইস্ট্রোজেন, যা নারীদেহে গৌণ যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

26. অ্যাড্রিনালিনের উৎস ও কাজ উল্লেখ করো ।

ans. অ্যাড্রিনালিন অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির মেডালা থেকে নিঃসৃত হয়। খাড়া হতে সাহায্য করে। এই হরমোন অণুর গ্রন্থির ক্ষরণ বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের রোম খাড়া হতে সাহায্য কর।

27. শুক্রাশয় কোথায় অবস্থিত ?

ans. শুক্রাশয় পুরুষ মানুষের দেহগহ্বরের বাইরে ফ্লোটাম নামক থলির মধ্যে অবস্থিত।

28. ADH-এর পুরো নাম উৎস ও কাজ উল্লেখ করো ।

ans. ADH- এর পুরো নাম অ্যান্টি ডাইইউরেটিক হরমোন। এর উৎস পিটুইটারির পশ্চাদভাগ। এটি বৃক্কীয় নালির পুনঃশোষণে। সহায়তা করে।

29. মিশ্র স্নায়ু কাকে বলে ? এর উদাহরণ কী ?

ans. যে স্নায়ু সেনসরি ও মোটর উভয় নিউরোন দিয়ে গঠিত, তাকে মিশ্র স্নায়ু বলে। যেমন—ভেগাস স্নায়ু ।

30. স্নায়ুর কাজ কী ?

ans. স্নায়ুর কাজ হল-(i) রিসেপটর বা গ্রাহক থেকে উদ্দীপনা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে প্রেরণ করা এবং (ii) কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে সাড়াকে কারক অঙ্গে প্রেরণ করা ।

31. সহযোগী নিউরোন কাকে বলে? এটি কোথায় অবস্থিত ?

ans. যে নিউরোন সেনসরি ও মোটর নিউরোনের মধ্যে সংযোগসাধন করে, তাকে সহযোগী নিউরোন বলে। এই প্রকার নিউরোন কেবল সুষুম্নাকাণ্ডে থাকে।

32. অ্যাক্সন হিলক কাকে বলে ?

ans. অ্যাক্সনটি কোশদেহের যে অংশে সংযুক্ত থাকে সেই অংশটিকে অ্যাক্সন হিলক বলে। এই অংশে মায়েলিন সিদ এবং নিউরিলেমা থাকে না ।

33. অ্যাক্সনের আবরণীগুলি কী কী ?

ans. অ্যাক্সনের আবরণীগুলি হল—অ্যাক্সোলেমা, মায়েলিন সিদ বা মেডুলারি আবরণ এবং নিউরিলেমা ।

34. স্নায়ুগ্রন্থি কাকে বলে ? এর কাজ কী কী ?

ans. কয়েকটি স্নায়ুকোশের কোশদেহগুলি মিলিত হয়ে যে গ্রন্থি গঠন করে, তাকে স্নায়ুগ্রন্থি বলে । স্নায়ু সৃষ্টি করা এর প্রধান কাজ ।

35. স্নায়ুসন্ধির কাজ কী?

ans. পূর্ববর্তী নিউরোন থেকে স্নায়ু-সংবেদকে পরবর্তী নিউরোনে পৌছে দেওয়া স্নায়ুসন্ধির কাজ ।

36. সহজাত ও অভ্যাসমূলক প্রতিবর্ত বলতে কী বোঝো?

ans. যেসব প্রতিবর্ত বংশগত সূত্রে পূর্বপুরুষ থেকে প্রাপ্ত, তাদের সহজাত প্রতিবর্ত এবং যেসব প্রতিবর্ত জন্মের পর অনুশীলন বা অভ্যাসের মাধ্যমে অর্জিত হয়, তাকে অভ্যাসমূলক প্রতিবর্ত বলে

37. গুরুমস্তিষ্কের কাজ কী ?

ans. গুরুমস্তিষ্ক প্রাণীদের বুদ্ধি, চিন্তা, স্মৃতি, দর্শন, ঘ্রাণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে ।

38. সুষুম্নাশীৰ্ষকের কাজ কী ?

ans. সুষুম্নাশীর্ষক প্রাণীদের হৃদস্পন্দন, শ্বাসক্রিয়া, ঘাম নিঃসরণ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে ।

39. করপাস ক্যালোসাম কাকে বলে ?

ans. গুরুমস্তিষ্কের গোলার্ধদ্বয় যে স্নায়ু-যোজক দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাকে করপাস ক্যালোসাম বলে ।

40. কোল্যাটারাল কাকে বলে ?

ans. অ্যাক্সনের র‍্যানভিয়ারের পর্ব থেকে অনেক সময় সূক্ষ্ম শাখা নির্গত হয়, অ্যাক্সনের এরূপ শাখাকে কোল্যাটারাল বলে ।

41. প্রতিবর্ত ক্রিয়ার দুটি উদাহরণ দাও।

ans. (i) চোখে তীব্র আলো পড়লে তারারন্ধ্র সংকুচিত হয়। (ii) খাদ্যের দর্শনে বা ঘ্রাণে লালা নিঃসরণ হওয়া।

42. জন্মগত প্রতিবর্ত কাকে বলে ? উদাহরণ দাও ।

ans. যে সব প্রতিবর্ত পুর্বপুরুষ থেকে প্রাপ্ত এবং কোনো শর্তের অধীন নয়, তাদের জন্মগত প্রতিবর্ত বলে। যেমন- জন্মের সঙ্গে সঙ্গে শিশুর স্তনপানের ইচ্ছা ।

43. জ্ঞানেন্দ্রিয় কাকে বলে?

ans. প্রাণীদের যে সব গ্রাহক অঙ্গ পরিবেশ থেকে বিশেষ বিশেষ উদ্দীপনা গ্রহণ করে নির্দিষ্ট স্নায়ুর মাধ্যমে স্নায়বিক কেন্দ্রে পাঠিয়ে সেখানকার নির্দেশ পালন করে, তাদের জ্ঞানেন্দ্রিয় বলে ।

44. চক্ষুর প্রতিসারক মাধ্যমগুলি কী কী ?

ans. চক্ষুর প্রতিসারক মাধ্যমগুলি হল— কর্নিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমর, লেন্স, ভিট্রিয়াস হিউমর ।

45. অশ্রুতে কী এনজাইম থাকে ? এর কাজ কী ?

ans. অশ্রুতে লাইসোজাইম নামক এনজাইম থাকে। এই এনজাইম ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে ।

46. রেটিনা কাকে বলে ? এর কাজ কী ?

ans. অক্ষিগোলকের একেবারে ভিতরের দিকে অবস্থিত স্নায়ুকোশ দিয়ে গঠিত স্তরটিকে রেটিনা বলে। রেটিনাতে বস্তুর প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

47. দ্বিনেত্র দৃষ্টি কাকে বলে ? উদাহরণ দাও।

ans. যখন দুটি চোখ দিয়ে একসঙ্গে একই বস্তুর প্রতিবিম্ব দেখা যায় তাকে দ্বিনেত্র দৃষ্টি বলে। যেমন—মানুষ, পেঁচা ইত্যাদি।

48. মায়োপিয়া কাকে বলে? কীভাবে এর ত্রুটি দূর করা যায়?

ans. যে দৃষ্টিতে দূরের দৃষ্টি ব্যাহত হয়, কিন্তু নিকটের দৃষ্টি ঠিক থাকে তাকে মায়োপিয়া বলে । অবতল লেন্স যুক্ত চশমা ব্যবহার করলে এই ত্রুটি দূর হয় ।

49. প্রেসবায়োপিয়া কাকে বলে ? কীভাবে এই ত্রুটি দূর করা যেতে পারে ?

ans. 40 বছর এবং তার বেশি বয়সের লোকদের লেন্স এর স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কাছের বস্তু স্পষ্টভাবে দেখতে পায় না । বাইফোকাল লেন্সযুক্ত চশমা ব্যবহার করলে এই ত্রুটি দূর হয় ।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

Madhyamik History Suggestion 2025 | মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

West Bengal Class 9 LifeScience Suggestion।।নবম শ্রেণীর জীবন বিজ্ঞান 2022 | তৃতীয় অধ্যায় | জৈবনিক প্রক্রিয়া||

Class 7 Second Unit Test Model Question 2022